রাজশাহীর বাগমারায় তামান্না আক্তার টিয়া নামের এক কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে যায় প্রেমিক। পরে ঝুলন্ত মরাদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
টিয়া বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের সমসপাড়া গ্রামের রশিদ উদ্দিনের মেয়ে। সে পুঠিয়ার সাধনপুর পঙ্গু শিশু নিকেতন স্কুল ও কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
শনিবার বাড়ির অদূরে পার্শ্ববর্তী নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার পীরগাছা রাখালগাছা এলাকার একটি আম বাগান থেকে একটি বড় আম গাছের ডাল থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, পুঠিয়া উপজেলার সাধনপুরের খিদিরপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শান্ত ইসলামের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শান্ত ইসলামের বয়স ছিলো ২১ বছর। কথিত প্রেমিক ওই ছাত্রীর পরিবারকে দিয়ের প্রস্তাবও দেয়। কিন্তু তাতে আপত্তি জানায় ছাত্রীর পরিবার।
অনেক চেষ্টা করার পর ও তাদের দেখা মেলিনি কোথাও। পরদিন সকালে পাশের গ্রামের একটি আমবাগানে একটি আমা গাছের ডাল থেকে তার ঝুলন্ত মরাদেহ পাওয়া যায়।
তিনি অভিযোগ করেন, অপহরণের পর তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এবং ধর্ষণ করার পর তাকে মেরে ফেলা হয়। এখন তাকে মেরে ফেলার পর আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার জন্য তার মূত দেহ তাকে একটি আম গাছের ডালে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
নিহত কলেজছাত্রীর মা নিলুফা বেগম বলেন, টিয়া ও শান্ত একই কলেজে পড়ত। কলেজে গেলেই শান্ত টিয়াকে নানানভাবে উত্ত্যক্ত করত। অনেক ভাবে তাকে অত্যাচার করতো। তাকে শান্তি তে কলেজ করতে দিতোনা তারা নানা রকম ভাবে তাকে তরচার করতো।
তাকে কি মারার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে কিনা সেটা শিওর না। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় আইনত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান ওসি। দেখা যাক শেষ পড়ন্ত কি অবস্থা হয় তা দেখা যাক।

1 Comments
Hiru
ReplyDelete